জনসচেতনতায় ফারহানা মিলি

বিনোদন প্রতিবেদক : কিছু কাজ করে একজন শিল্পী দর্শকদের বিনোদন দেন। আবার কিছু কাজ তিনি সমাজের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে করেন। জনপ্রিয় অভিনেত্রী ফারহানা মিলি বরাবরই সমাজ সচেতনতামূলক কাজগুলো করে বেশি আনন্দ পেয়ে থাকেন। ফের এই ধারার কাজে অংশ নিলেন তিনি। অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশক মামুনুর রশীদের পরিচালনায় য²াবিষয়ক একটি জনসচেতনতামূলক ডকুড্রামায় অভিনয় করছেন মিলি। এরইমধ্যে বেশকিছু অংশের শুটিং শেষ হয়েছে। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে এই ডকুড্রামার পুরো কাজ শেষ হবে। ফারহানা মিলি বলেন, ‘এই ধরনের কাজ করতে আমি সবসময়ই বেশ আগ্রহবোধ করি। কারণ আমি মনে করি, সমাজের প্রতি, সমাজের মানুষের প্রতি আমার কিছু দায়িত্ব রয়েছে। সেই দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেই আমার এই ধরনের কাজের সাথে সম্পৃক্ত থাকা। এই ধারার কাজের প্রস্তাব এলে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করি আমার সব কাজের ব্যস্ততার ফাঁকে তা করে দিতে।’ ফারহানা মিলির এই ডকুড্রামাটি দেশের বেশ কয়েকটি চ্যানেলসহ বিভিন্ন জেলা শহরে প্রদর্শিত হবে।
এদিকে গেলো ঈদে ফারহানা মিলি অভিনীত বেশকিছু নাটক-টেলিফিল্ম দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- সালাহ উদ্দিন লাভলুর সাত পর্বের ধারাবাহিক ‘মনসুর মালা’, আবুল হায়াতের ‘প্রাণবন্ত পৃথক পুরুষ’, অঞ্জন আইচের ‘বুনো চালতা’, শামস করিমের ‘সদা ভয় সদা লাজ’, ইয়ামিন জুয়েলের ‘হেড অব দি ডিপার্টম্যান্ট’, কৌশিক শংকর দাসের ‘মেঘ বৃষ্টি রোদ’ ও সাদেক সিদ্দিকীর ‘মাটির ফুল’। এছাড়াও আগামী মাস থেকে ফারহানা মিলি মোস্তফা কামাল রাজের ‘পোস্ট গ্র্যাজুয়েট’ নাটকের শুটিং শুরু করবেন। কাজের বাইরে মিলি পরিবারকেও সময় দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ প্রসঙ্গে মনপুরার নায়িকা আরও বলেন, ‘সারা বছরই তো আসলে কাজ করা হয়ে থাকে। পরিবারকেও তো একটু নিয়ম করে সময় দেয়া উচিত। যে কারণে ঈদের পর একটু লম্বা বিরতি নিয়েই কাজে ফেরা। আমি মনে করি, শুধু পেশাগত কাজে নিজেকে বেশি ব্যস্ত না রেখে পরিবারের জন্যও সময় রাখা উচিত। আমি যা কিছুই করি না কেনো, আমার পরিবারের মানুষগুলোর শান্তির জন্য, সর্বোপরি আমার শান্তির জন্যই তো কাজ করি। সেই শান্তিটাও উপভোগ করার একটু আলাদা সময়ের প্রয়োজন।’




মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.