রাজশাহীতে জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-সহকারি প্রকৌশলীর অসঙ্গতিপূর্ণ বহুতলা ভবন

রাজশাহীতে জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-সহকারি প্রকৌশলীর অসঙ্গতিপূর্ণ বহুতলা ভবন

নাজিম হাসান, রাজশাহী প্রতিনিধি : জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারি প্রকৌশলী আবদুল জব্বারের বিরুদ্ধে রাজশাহীর মহানগরীর মোহাম্মদপুর টিকাপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার পাশে নিয়মবর্হিভূতভাবে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে ধর্মীয় এই প্রতিষ্ঠানটি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রকৌশলী আব্দুল জাব্বারের আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। জানা যায়, মহানগরির ঐতিহ্যবাহী মোহাম্মদপুর টিকাপাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন মোহাম্মদপুর টিকাপাড়া হাফেজিয়া মাদ্ররাসা অরাজনৈতিকভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। মাদ্রাসাটির নিজেস্ব তিনতলা ভবনে হেফজখানা রয়েছে। মাদ্রাসার ভবন সংলগ্ন উত্তর পাশে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কর্মরত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারি প্রকৌশলী আবদুল জব্বার বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন।

ভবনটি নির্মাণে গৃহনির্মাণ নীতিমালা অনুসরণ না করে নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইয়াকুব আলী সরদার বলেন, ভবনটির পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণ পাশে কোন জায়গা না ছেড়ে দক্ষিণের মাদ্রাসার ভবন ঘেসে ভবন নির্মাণ করায় মাদ্রাসা ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাদ্রাসাটিতে এতিম ও কোমলমতি শিশুরা দিন-রাত অবস্থান করে দীনি শিক্ষা অর্জন করে আসছে।

ভবন নির্মাণের পাইলিং করায় মাদ্রাসা ভবন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে ভবনের মালিক প্রকৌশলী আবদুল জব্বার ও তার আতœীয়স্বজনদের কাছে বারবার অভিযোগ করা হলেও তারা কাউকে তোয়াক্কা করছে না। অভিযোগ উঠেছে, প্রকৌশলী আব্দুল জব্বার এলাকার কতিপয় ব্যক্তিকে অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গৃহ নির্মাণ নীতিমালা অনুসরণ না করে ভবন নির্মাণ করছেন। জনসাধারণের দান অনুদানে পরিচালিত মাদ্রাসাটি রক্ষার জন্য আরডিএ, দুদকসহ সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসি। জানা যায়, প্রকৌশলী আবদুল জাব্বারের রাজশাহীতে আরো কয়েকটি নিজেস্ব ভবন রয়েছে। প্রকৌশলী আব্দুল জাব্বারের আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।




মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Time limit is exhausted. Please reload CAPTCHA.