বৃত্তির ফল জালিয়াতি মামলার জামিন পেলেন সেই গোদাগাড়ী শিক্ষা কর্মকর্তা

বৃত্তির ফল জালিয়াতি মামলার জামিন পেলেন সেই গোদাগাড়ী শিক্ষা কর্মকর্তা

নাজিম হাসান,রাজশাহী :
রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রাখী চক্রবর্তী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী বৃত্তির ফল জালিয়াতি মামলায় বেশকেছু দিন গা-ঢাকা দিয়ে অবশেষে জামিন পেয়ে অফিসে যোগদান করে আবারো কাজকর্ম চালিয়ে যাচেছ।
গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি ওবাইদুল হাসান ও কৃষ্ণ দেবনাথের বেঞ্চ দুই মাসের জন্য রাখী চক্রবর্তীকে জামিন প্রদান করেন। ২০১৫ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৪০ জন শিক্ষার্থীর নম্বর বাড়িয়ে দিয়ে তাদের বৃত্তি পাইয়ে দেয়ার অভিযোগে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সম্বনিত জেলা কার্যালয়ের উপ সহকারী পরিচালক তরুন কান্তি ঘোষ বাদী হয়ে গত ২১ আগাস্ট রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানায় মামলা একটি দায়ের করেন। এই মামলায় জেলা শিক্ষা অফিসার আবুল কাশেম, ঘটনার সময়ের বোয়ালিয়া থানার শিক্ষা কর্মকর্তা রাখী চক্রবর্তী ও কম্পিউটার অপারেটর সোনিয়া খাতুনকে আসামী করা হয়। ২১ আগস্ট আবুল কাশেমকে দুদক আটক করলে এ খবর পেয়ে ঐ দিন দুপুরে তড়িঘড়ি করে অফিস ত্যাগ করেন গোদাগাড়ীর কর্তমান শিক্ষা কর্মকর্তা রাখী চক্রবর্তী। এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের একাধিক কর্মচারীরা জানান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাখী চক্রবর্তী তিন দিনের ছুটিতে আছেন। তিনি কোথায়, কি করছেন, তারা (কর্মচারী) তা জানেন না। এ বিষয়ে মতামতের জন্য রাখী চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বুধবারও তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। কিন্তু বেশকেছু দিন গা-ঢাকা দিয়ে রাখী চক্রবর্তী অবশেষে গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে গত রোবার অফিসে যোগদান করে আবারো কাজকর্ম পুর্বের মত চালিয়ে যাচেছন। উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সাইফুল ইসলামের তদন্তে প্রাথমিক বৃত্তির ফল জালিয়াতির ঘটনা প্রমাণিত হয়। গত বছরের ১৭ জুলাই মহাপরিচালকের কাছে তিনি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কাশেম ও রাখী চক্রবর্তীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়।#