বাগমারায় জনতা ব্যাংক কর্তৃক ডিপোজিটের টাকা কাটায় গ্রাহকদের ক্ষোভ

বাগমারায় জনতা ব্যাংক কর্তৃক ডিপোজিটের টাকা কাটায় গ্রাহকদের ক্ষোভ

নাজিম হাসান, রাজশাহী:
রাজশাহীর বাগমারায় ব্যাংকের ডিপোজিট স্কীমের গ্রাহকরা পরিমিত লাভ না পেয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছেন গ্রহকেরা। তারা ১২% লাভের আশায় ডিপোজিট স্কীমে টাকা রেখে মুল লাভের ১৫% সোর্স ট্যাক্সের নামে টাকা কাটায় গ্রাহকরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সরকার ২০১৩ সালে লাভ্যাংশ থেকে ১৫% সোর্স ট্যাক্স নেয়ার নিয়ম করায় তা প্রযোজ্য হয়েছে বলে দাবি করেন। এলাকা সুত্রে জানা যায়, উপজেলার সদও ভবানীগঞ্জ জনতা ব্যাংকে স্থানীয়রা ২০১২ সালের দিকে জেবিএমএপি নামে বিভিন্ন অংকের টাকা লাভের আশায় রাখেন। দীর্ঘ দিন মাসের প্রথম দিন থেকে ১০ দিনের মধ্যে এই টাকা জমা করে লাভ তেমন না মেলায় গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। জেবিএমএপি’র ৫/৬ জন ভুক্তভোগি গ্রাহকরা জানান, ২০১২ সালে ৫ বছরেরমেয়াদে একটি একাউন্ট খোলার পর ২০১৭ সালে তা শেষ হয়। এতে করে তাদের লাভ অত্যন্ত সীমিত হয়েছে। তাদেরকে একাউন্ট খোলার সময় জমা টাকার লাভ দ্বিগুণ হবে বলে জানন হয়। প্রতি মাসে ১০ তারিখের মধ্যে ২ হাজার টাকা করে জমা দিয়ে মোট জমা পড়েছে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু জমা পরে লাভ মিলছে মাত্র ৩৫ হাজার মত। দীর্ঘ সময়ে জমা ও ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী সময় কাটিয়ে তেমন লাভ না মেলায় গ্রাহকদের মধ্যে চরম হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বালানগর গ্রামের জনৈক ১২২/২ একাউন্টের একজন গ্রাহক জানান, ডিপোজিট খোলার সময় লাভ্যাংশ থেকে ১৫% সোর্স ট্যাক্স নেয়ার কথা না থাকলেও মেয়াদ শেষে ৫ বছর পর টাকা কাটায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, ২০১২ সালের জুন মাসে২ হাজার টাকা করে ৫ বছরের জন্য টাকা জমা করে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা জমা শেষে ২০১৭ সালে জুন মাসে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮শত ৮২ টাকা মাত্র লাভ মিলেছে। দীঘ দিন টাকা জমাসহ পরিশ্রমের তেমন সুফল না পেয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এব্যাপারে ব্যাংকের ব্যাবস্থাপক সিরাজুর রহমান জানান, খোলার সময় চুক্তি থাকলেও ২০১৩ সালের দিকে সরকারী ভাবে লাভের ১৫% সোর্স ট্যাক্স নেয়ার বিধান করা হয়। এই কারণে ১২% লাভের মধ্যে লাভের ১৫% সোর্স ট্যাক্সের কাটা হয়েছে। যা সরকারের ঘরে জমা পড়বে। তিনি লাভের ট্যাক্স সকল ব্যাংকে প্রচলন রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়া সকল ডিপোজিটের ক্ষেত্রে একই ভাবে ১৫% সোর্স ট্যাক্স নেয়ার বিধান রয়েচে বলে জানান তিনি।#